জঙ্গল খুলে যাওয়ায় নতুন অক্সিজেন পেতে পারে ঝিমিয়ে পড়া পর্যটনশিল্প
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় পুজোয় না থাকলে অনায়াসে চলে আসতে পারেন ডুয়ার্স ও সুন্দরবনের জঙ্গল ভ্রমণে। সূত্রের খবর,দীর্ঘ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর খুলে দেওয়া হয়েছে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্ক। পাশাপাশি ডুয়ার্স ও সুন্দরবন ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুরু হয়েছে অনলাইন বুকিং। আনলক- ৫পর্বে পর্যটনে নতুন আশার আলো।সূত্রের আরও খবর, এবার পুজোয় ভিড় কম হবে পুজোর প্যান্ডেলগুলিতে এমনই মনে করা হচ্ছে। করোনা আবহে জমায়েত এড়িয়ে চলবেন বহু মানুষ। তবে পুজোর আনন্দ উপভোগ হতে পারে ভিন্ন ভাবনায়। শহরের কোলাহল ছেড়ে বেড়িয়ে পড়তে পারেন নির্জন জঙ্গলে ৷ পর্যটন কেন্দ্রগুলো হাতছানি দিচ্ছে ঘুরে আসার। উৎসবের আমেজে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্ক খুলেছে। পর্যটনে নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে উঠছে। শাল সেগুন সহ বিবিধ জঙ্গলে বন্যপ্রাণের টানে ছুটে যেতে পারেন। করোনা আবহে বন্ধ থাকার পর খুলে গেল ডুয়ার্সের জঙ্গল।
গরুমারা, চাপড়ামারি, রাজাভাতখাওয়া স্যাংচুয়ারি যেমন খুলেছে তেমনি পর্যটকদের জন্য খুলে গিয়েছে সুন্দরবনের জল -জঙ্গলও৷ সূত্রের খবর, প্রতিবারই প্রায় ১৫ লক্ষের মতো পর্যটকের ভিড় হয় জঙ্গলে। এবার করোনা পরিস্থিতিতে পর্যটক সংখ্যা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্তর্দেশীয় ও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণ বন্ধ। বিদেশি পর্যটকরা আসতে পারবেন না। এই অবস্থাতে বাড়তে পারে লোকাল ট্যুরিজম। দীর্ঘ ঘরবন্দি থাকার পর জঙ্গলে যেতেই পারেন বাঙালিরা । এক্ষেত্রে কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেতে হবে ভ্রমণকারীকে।অন্যদিকে বন দপ্তর সূত্রের খবর, স্যানিটাইজার ও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এই সংক্রান্ত বিষয়ে হোটেলকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ৷আবার পর্যটকদের জন্য বিশেষ জিপেরও বন্দোবস্ত করা হয়েছে ৷ জঙ্গল খুলে যাওয়ায় নতুন অক্সিজেন পেতে পারে ঝিমিয়ে পড়া পর্যটনশিল্প, এমনটাই মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

